দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন ও পুনরায় আবেদনের নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বদলিপ্রত্যাশী শিক্ষকদের আবেদনে নিজ জেলা, স্বামী বা স্ত্রীর জেলা ও কর্মস্থল, মোবাইল নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্যের ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক প্রফেসর মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ জারি করা ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় তৈরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রদর্শক ও ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে গত ২১ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে বদলির আবেদন করেন।
মাউশির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদনে থাকা তথ্যের ত্রুটি সংশোধন, যাচাই (ভেরিফিকেশন) ও অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের পৃথক সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এরমধ্যে স্কুল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের আগামী ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষকদের তথ্য ইনপুট, যাচাই ও অনুমোদনের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এরপর ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং জেলা শিক্ষা অফিসারদের সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই ও অনুমোদন করতে হবে।
আর কলেজ পর্যায়েও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করতে হবে। এরপর ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আঞ্চলিক উপপরিচালক (কলেজ) ও আঞ্চলিক পরিচালকদের তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষে যেসব শিক্ষক তাদের আবেদনের তথ্য সংশোধন করবেন, তারা আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন করে বদলির আবেদন করতে পারবেন। তবে যেসব শিক্ষক আগের ধাপে সঠিক তথ্য দিয়ে সফলভাবে আবেদন করেছেন, তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।
কে